মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সাধারণ তথ্য

 

স্বাস্থ্য মানব উন্নয়ন পরিমাপের একটি বিশ্বজনীন সূচক। বাংলাদেশের সংবিধান স্বাস্থ্যসেবা পাওয়াকে রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ২০১৫ সালের মধ্যে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ সরকার চেষ্টা করে যাচ্ছে।  

দেশে সরকারি প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন স্থানীয় উদ্যোক্তা, বেসরকারি সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা পরিচালিত হয়ে থাকে। কেন্দ্র থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত নীতি প্রণয়ন, পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত নেবার দায়িত্ব  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়-এর। এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে চারটি অধিদপ্তর - স্বাস্থ্য অধিদপ্তরপরিবার কল্যাণ অধিদপ্তরসেবিকা সেবা অধিদপ্তরঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর – তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে থাকে।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ স্বাস্থ্যখাতে প্রভূত উন্নতি সাধন করেছে। দেশের সকল মানুষ, বিশেষ করে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী যাতে উপকৃত হয়, সে লক্ষ্যে সরকার জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি প্রণয়ন করেছে। সরকারের সামগ্রিক উন্নয়ন নীতিতে স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা খাতে মূল লক্ষ্য হলো - স্বাস্থ্য, পুষ্টি, প্রজনন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনার ক্ষেত্রে জনগণের উন্নতি সাধন। যাতে করে সমাজের সবচেয়ে ঝূঁকিপূর্ণ অংশ অর্থাৎ নারী, শিশু, প্রবীণ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তি এবং শারীরিক, সামাজিক, মানসিক ও আত্মিক কল্যাণ সাধিত হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রলায়ের অধীনে সরকার প্রণীত জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি , জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নীতি এবং জাতীয় জনসংখ্যা নীতি বাস্তবায়িত হয়ে থাকে।  
       
বেসরকারি সংস্থাসমূহ শহর ও গ্রামাঞ্চলে স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা খাতে উল্লেখযোগ্য কাজ করছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করে থাকে। সম্প্রতি এসব সংস্থা তাদের সেবার পরিধি বিস্তৃত করেছে এবং শহরাঞ্চলেও প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছে।      
 
দেশে স্বাস্থ্যখাতের একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হল জাতীয় ঔষধ নীতি। ১৯৮২ সাল থেকে কার্যকর হওয়া এই নীতির কাজ হলো বাজার থেকে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ অপসারণ করে সকল ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ঔষধের ন্যায্যমূল্যে প্রাপ্তি নিশ্চিত করা। এই নীতির ফলে বাংলাদেশের ঔষধ শিল্প বিকাশ লাভ করেছে। এই নীতি সংশ্লিষ্ট বিভাগকে প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামোও দিয়ে থাকে।   
                  
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য কয়েকটি সূচকে উন্নতি প্রয়োজন। এগুলো হলো জন্মহার হ্রাস, অনূর্ধ ৫ বছর বয়সীদের মৃত্যু হার হ্রাস, মা ও শিশুদের টিকাদান, ভিটামিন-‘এ’ স্বল্পতা দূরীকরণ ইত্যাদি। এ লক্ষ্যে নানা রকম কর্মসূচি ও কার্যক্রম চালু রয়েছে।


Share with :

Facebook Twitter